.breadcrumbs{display:none !important;}

রেফার করে আয় করুন হাজার হাজার টাকা (Via Android)

রেফার করে আয় করুন

অনলাইনে ইনকাম করার অনেকগুলো উপায় আছে।তবে সেগুলোর মধ্যে তুলনামূলক সহজ উপায় হলো, রেফার করে আয় করা।এই পদ্ধতিটা বেশ সহজ হওয়ার কারনে রেফার করে আয় করার পদ্ধতিটাও আগের তুলনায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
-তবে একটা বিষয় জেনে রাখা ভালো যে, ”টাকা ইনকাম করার কোনো পথই সহজ নয়”।টাকা আয় করার জন্য সবাই তো পরিশ্রম করে।কিন্তু সবাই কি সফল হয়? -একমাএ সেই ব্যক্তিরাই সফল হতে পারে।যারা হার্ডওয়ার্কের পাশাপাশি স্মার্টওয়ার্ক করে।

ঠিক তেমনি, আপনি রেফার করলেই যে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করবেন এ ধারনাও সম্পূর্ন ভুল। আপনাকে এখানেও স্মার্ট ওয়ার্কের পরিচয় দিতে হবে।যেন আপনার ইনকাম করার পদ্ধতিগুলো অন্যদের থেকে ভিন্ন হয়।কিংবা আপনার অনলাইন আয়ের পদ্ধতি অনুযায়ী কেউ কাজ করা শুরু করলে আপনি যেন তাৎক্ষনিক নতুন উপায় বের করতে পারেন।এমন সুবুদ্ধিসম্পন্ন হতে হবে আপনাকে।
রেফার করে আয়
রেফার করে আয়

রেফার কি?

আপনি ফেসবুকের বড় বড় পেজ/গ্রুপের কমেন্ট সেকশনে হয়তবা বেশ কিছু কমেন্ট লক্ষ্য করছেন।যে কমেন্টগুলোতে কিছু লোভনীয় কথা লেখা থাকে।তারপর সেই লেখার শেষে একটা করে লিংক দেয়া থাকে।কখনও কি ভেবে দেখেছেন, এই লিংকগুলো কিসের লিংক? -এগুলোই হলো রেফার লিংক।

রেফার পদ্ধতি কিছুটা এফিলিয়েট প্রোগ্রামের মতো। ধরুন, কেউ নতুন একটি মোবাইলের জন্য এপস তৈরি করলো।এবং তারা জানিয়ে দিলো যে, যারা এই এপসটিকে ৫০০ জনকে ডাউনলোড করিয়ে দিতে পারবে।তাকে পুরস্কার/পারিশ্রমিক হিসেবে ৫০০০/- দেয়া হবে।এখন আপনি চাচ্ছেন তাদের সেই অফারে কাজ করতে।তাই তাদের সাথে যোগাযোগ করে  সেই এপসের ডাউনলোড লিংক নিতে হবে।এখন উক্ত ডাউনলোড লিংক থেকে যদি আপনি ৫০০ জনকে সেই এপসকে ডাউনলোড করিয়ে দিতে পারেন।তাহলে আপনাকে তারা ৫০০০/- দিয়ে দিবে। মূলত এটাই হলো রেফার করে আয় করার প্রক্রিয়া।

এভাবে অন্যের কোনো প্রডাক্টকে নির্দিষ্ট ডাউনলোড লিংক/ কোড ব্যবহার করে।আপনি যতো সংখ্যক মানুষের নিকট পৌঁছাতে পারবেন।আপনার ইনকামও ততোবেশি হতে থাকবে।

কিভাবে রেফার করে আয় করবেন?

যখন আপনি কোনো এপস কিংবা অন্যান্য প্রোডাক্টের রেফার প্রোগ্রামে জয়েন হবেন।তখন কিন্তু তাদের দেয়া টার্গেট অনুযায়ী কাজ করতে হবে।তারা যদি বলে আপনি যতোগুলো লোককে সেই এপসটি ডাউনলোড করাতে পারবেন।সেই অনুযায়ী জনপ্রতি আপনাকে ১০০ টাকা করে দেয়া হবে।এখন আপনি যদি ৫০ জনকে সেই এপসটি ড্উানলোড করিয়ে নিতে পারেন।তাহলে আপনি খুব সহজেই ৫০০০/- পেয়ে যাবেন।

তবে মূল বিষয় হলো, মানুষ কেন আপনার  দেয়া লিংক থেকে এই এপসগুলোকে ডাউনলোড করবে? আর আপনি এত গুলো মানুষকে কোথায় পাবেন? কারন এখন ইন্টারনেট সম্পর্কে সবার মোটামুটি ধারনা আছে।তাই আপনার দেয়া সেই লিংকগুলোতে কেউ ক্লিক করতে চাইবে না।তাহলে ইনকাম আসবে কিভাবে?

আমি পোষ্টের শুরুর দিকে স্মার্টওয়ার্কের কথা বলেছিলাম। তো চলুন, এই স্মার্টওয়ার্ক কিভাবে রেফারে কাজে লাগানো যায়।সে বিষয়ে জেনে নেয়া যাক।

রেফার করে আয় করার উপায়

রেফার করে ইনকাম করতে হলে, সর্বপ্রথম আপনার কাছে একটি বড় মাপের কমিউনিটি থাকতে হবে।বড় কমিউনিটি বলতে আমি বুঝিয়েছি আপন্রা অনেকজনের একটি বড় টিম থাকতে হবে।আপনার টিমে যতোবেশি মেম্বার থাকবে।আপনিও সেই পরিমান ইনকাম করতে পারবেন।তবে এখন প্রশ্ন করতে পারেন, ”আমার তো সেরকম টিম নেই।তাহলে আমি কিভাবে ইনকাম করবো”?

-উওরে বলবো, হ্যাঁ! আপনিও পারবেন।বাকি সবাই পারলে আপনি পারবেন না কেন।তবে এখানেই আপনাকে আপনার স্মার্টওয়ার্কের পরিচয় দিতে হবে।অনলাইনে বড় কমিউনিটি তৈরি করার কিছু সহজ উপায় আপনাকে বলে দিচ্ছি।

🔓পারসোনাল ওয়েবসাইট: আমরা যারা অনলাইনে ইনকাম করার চেষ্টায় থাকি।তাদের সবার কমবেশি নিজস্ব একটি পারসোনাল ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট আছে।কারন গুগলে প্রতিনিয়ত মানুষ বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য বিভিন্ন বিষয় সার্চ করে।এখন আপনি যদি সেই সমস্যাগুলোর সমাধান আপনি আপনার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেন।তাহলে মানুষ আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে আগ্রহী হবে।আপনার লেখাগুলো মনযোগ সহকারে পড়বে।আপনার প্রতি তাদের বিশ্বাস জন্মাবে।

এখন এই সুযোগে যদি আপনি বুদ্ধিমওার সাথে কিছু লোভনীয় কিছু কথা লিখে আপনার রেফার লিংকগুলো শেয়ার করেন।তাহলে আপনার সাইটে আসা ভিজিটরগুলো খুব সহজেই রেফার লিংক থেকে এপসগুলো ডাউনলোড করবে।আর আপনার ইনকাম সেই তুলনায় বাড়তে থাকবে।

কিভাবে বাংলা ব্লগ থেকে ইনকাম করা যায় ও কিভাবে ফ্রিতে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন।সে বিষয়ে আমি পূর্বে আলোচনা করেছি।আপনি চাইলে এই আর্টিকেল দুটো পড়ে নিতে পারেন।

🔓 ইউটিউব চ্যানেল: অনলাইনে নিজের একটা শক্তপোক্ত কমিউনিটি গড়ার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো,”ইউটিউব”।আর আপনার ইউটিউব চ্যানেলটিকে যদি জনপ্রিয় করাতে পারেন।তাহলে রেফার করে আপনি এতোবেশি আয় করতে পারবেন।যা আপনি ধারনা করতে পারবেন না।

ধরুন, আপনার ইউটিউব চ্যানেলটিতে ১ লাখ সাবসস্ক্রাইব আছে।আপনি আপনার ভিডিওর ডেসস্ক্রিপশনে যদি রেফার লিংকটি দিয়ে রাখেন।সেই লিংক থেকে যদি ১ লাখ সাবস্ক্রাইবারের মধ্যে ১ হাজার জন ডাউনলোড করে।তাহলে ভেবে দেখেছেন আপনার ইনকাম কি পরিমান হতে পারে।

🔓 ফেসবুক গ্রুপ/পেজ: বর্তমানে ফেসবুক ব্যবহার করেনা এমন মানুষ হ্যারিকেন দিয়েও খুজে পাওয়া যাবে না।অপরদিকে আমাদের প্রত্যেকের একের অধিক আইডি আছে।এইদিক থেকে বিবেচনা করলে ফেসবুকে যদি আপনার বড় কোনো গ্রুপ কিংবা পপুলার কোনো পেজ থাকে।তাহলে রেফার করে আয় করাটা আপনার জন্য অনেকখানি সহজ হয়ে দাড়াবে।

আপনি আপনার পপুলার সেই পেজ কিংবা গ্রুপগুলোতে যদি আপনার রেফার লিংকগুলো শেয়ার করেন।তাহলে সেই শেয়ার করা পোষ্টগুলো আপনার গ্রুপ/পেজের প্রত্যেক ফলোয়ারদের টাইমলাইনে একবার করে শো করবে।আর আপনার সেই লিংকের সাথে যদি লোভনীয় কিছু কথা লিখে দেন।তাহলে কতগুলো ডাউনলোড হবে তা তো বুঝতেই পারছেন।

রেফার করে আয় করার কিছু মোবাইল এপস

তো চলুন, এবার জেনে নেয়া যাক কিছু জনপ্রিয় রেফার করে আয় করার মোবাইল এপস সম্পর্কে।আপনি খুব সহজেই এই এপসগুলো থেকে ইনকাম করতে পারবেন।এবং আপনার আয় করা টাকাগুলো আপনার বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে তুলতে পারবেন।

🔔 বিকাশ: আমাদের প্রায় সবার একটি করে বিকাশ একাউন্ট আছে।কিন্তু এখনও অনেকেই তারা তাদের বিকাশ একাউন্টটি বিকাশ এপে রেজিষ্ট্রেশন করেনি।তাই বিকাশ চালু করেছে রেফার পদ্ধতি।যেখানে আপনি আপনার রেফার লিংক থেকে কাউকে বিকাশ এপে রেজিষ্ট্রেশন করাতে পারলেই পাবেন ৫০/- করে।একবার ভেবে দেখুন আপনি যদি মাসে ১০০ জনকেও বিকাশ এপে রেজিষ্ট্রেশন করাতে পারেন।তাহলে ১ মাসে আপনার ইনকাম হবে ৫০০০ টাকা।ঘরে বসেই যদি এভাবে ইনকাম করা যায়।তাহলে আজই যোগ দিন বিকাশ রেফার প্রোগ্রামে।আর ইনকাম করুন ৩০-৪০ হাজার টাকা প্রতি মাসে।


🔔 দারাজ এপ: বর্তমানে বাংলাদেশের ইকমার্স সাইটগুলোর চাহিদা অনেকখানি বেড়েছে।সবাই চায় ঘরে বসেই অনলাইনে তাদের প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টগুলো অর্ডার করে কিনে নিতে।তাই দারাজ সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চালু করেছে রেফার প্রোগ্রাম।সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, দারাজ এপে আপনি প্রতি রেফারে পাবেন ১০০ টাকা।মানে আপনি যদি মোট ১০ জনকে আপনার রেফার লিংক থেকে দারাজ এপটিকে ডাউনলোড করাতে পারলে পেয়ে যাবেন ১০০০ টাকা। আর যদি ১০০ জনকে রেফার করাতে পারলে পেয়ে যাবেন ১০ হাজার টাকা।

🔔 নগদ এপস: টাকা লেনদেন করতে বিকাশের সাথে তাল মিলিয়ে নগদ অল্প সময়ের মধ্যেই বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।আর তাই তারা বিকাশের মতো রেফার প্রোগ্রাম চালু করেছে।তবে নগদের রেফার প্রোগ্রামে জয়েন হতে হলে প্রথমে আপনাকে একটি নগদ একাউন্ট খুলতে হবে।এবং একাউন্ট খোলার সাথে সাথেই পেয়ে যাবেন ৪৫/- বোনাস।আর আপনার প্রতি রেফার লিংক থেকে ২০ টাকা করে ইনকাম করতে পারবেন।

🔔 রিং আইডি: বর্তমানে ফেসবুকের প্রায় কমেন্টগুলোতে রিং আইডিং রেফার কোড দেখতে পাওয়া যায়।কারন রিং আইডি রেফার করে এখন অনেকেই প্রচুর পরিমানে ইনকাম করতে পেরেছে।যদি আপনিও তাদের মতো ইনকাম করতে চান, তাহলে এখুনি রিং আইডিতে একটা একাউন্ট খুলে ফেলুন।মজার বিষয় হলো, আপনি একাউন্ট খোলার সাথে সাথেই নির্দিষ্ট পরিমানে কিছু টাকা বোনাস পাবেন।আর আপনার প্রতি রেফার লিংক থেকে পাবেন ২০/- করে।আপনি এই এপ থেকে রেফার করে দৈনিক ৫০০-১০০০/- পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন।

ব্যাস! এটুকুই। রেফার করে আয় করার সব গোপন টিপসগুলো আজকে আপনাদের জানিয়ে দিলাম।এখন বাকিটা নির্ভর করবে আপনার উপর।আপনি এই পদ্ধতিগুলো যতোবেশি ফলো করবেন।আপনার ইনকামও ততোবেশি হবে।তবে আশা করি, এই টিপসগুলো ফলো করলে আপনি খুব সহজেই অনেক বেশি রেফার করে আয় করতে পারবেন।




New Post Older Post

Thanks For Read the Article