.breadcrumbs{display:none !important;}

Blogger Question and Answer: ব্লগ প্রশ্ন উওর (Pro Tips)

Blogger Question and Answer: ব্লগ প্রশ্ন উওর

আজকের এই পোষ্টে ব্লগিং নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ন প্রশ্নের উওর সম্পর্কে জানবো।যেগুলো প্রশ্নগুলো অনেকেই আমাকে ইমেইল করেছেন।আমি ফ্রি সময়ে সেই ইমেইলগুলোর রিপ্লে দেয়ার চেষ্টা করি।কিন্তু অনেক সময় একই রকম প্রশ্ন পাই।যে প্রশ্নগুলো আজকের পোষ্টের মাধ্যমে উওর দেয়ার চেষ্টা করবো। যা একজন বøগারদের অবশ্যই জেনে রাখা উচিত।
ব্লগ সম্পর্কে আমি অনেক প্রশ্নের উওর দেয়ার চেষ্টা করেছি।আপনি সেগুলো পড়ে নিতে পাড়েন।

ব্লগ প্রশ্ন উওর

আজকে ব্লগ নিয়ে প্রচলিত কিছু প্রশ্নের উওর দেয়ার চেষ্টা করবো।

👦প্রশ্ন: ব্লগের লোডিং স্পিড বাড়াবো কিভাবে?
যদি আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে সাইটের লোডিং স্পিড কমানোর জন্য অনেক প্লাগইন ব্যবহার করতে পারবেন।উদারহরন হিসেবে WordPress Cache plugin  আপনার সাইটের লোডিং স্পিড ফাষ্ট করতে সাহায্য করবে।কিংবা সাইট site speed is a ranking signal ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

তবে প্লাগইন ব্যবহারের পাশাপাশি সাইটে ব্যবহার করা ইমেজগুলোকে সঠিকভাবে অপটিমাইজ করে নিতে হবে।ইমেজে সঠিক অল্টার ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে।যেন সার্চ ইন্জিন আপনার ইমেজকে সঠিকভাবে আইডেন্টিফাই করতে পারে।


👦প্রশ্ন: ব্লগ কমেন্টিং একটি ওয়েবসাইটের জন্য ভালো নাকি খারাপ?
ব্লগ কমেন্ট অবশ্যই একটি ওয়েবসাইটের জন্য ভালো।যদি আপনি আপনার নিশ রিলেটেড ব্লগগুলোতে কমেন্ট করতে পারেন।তাহলে তো ভালোই হবে।কারন আপনার নিশ রিলেটেড ব্লগগুলোতে কমেন্ট করার মাধ্যমে আপনার সাইটের জন্য খুব ভালো কানেকশন বিল্ডআপ করতে পারবেন।

👦প্রশ্ন: ব্যাংলিংক করার সঠিক উপায়গুলো কি কি? 
এসইও করার সময় যদি আপনি ন্যাচারাল ভাবে এসইও করেন।তাহলে গুগল যতোই এলগরিদমে আপডেট নিয়ে আসুক না কেন।এতে আপনার সাইটের উপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।তাই যখনই আপনি ব্যাকলিংক করবেন তখন মনে রাখবেন তা যেন ন্যাচারালি হয়।

যেমন, গেষ্ট পোষ্টিং, ব্লগ কমেন্ট, ডিরেক্টরি সাবমেশন।তবে ব্যাকলিংক করার সময় হাই অথোরিটি সাইটগুলো থেকে ব্যাকলিংক নেয়ার চেষ্টা করবেন।এতে করে খুব তাড়াতাড়ি আপনার সাইটের ডিএ/পিএ ইমপ্রুভ করতে পারবেন।

👦প্রশ্ন: কোন টুলসগুলো থেকে ফ্রিতে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়?
ফ্রিতে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য অনলাইনে অনেক রকমের টুলস পাবেন।তবে সবগুলো ফ্রি টুলসে সঠিক ডাটা দেখায় না।সঠিক ডাটা পেতে আপনাকে ফ্রি টুলস ব্যবহারের পাশাপাশি আপনাকে ম্যানুয়ালি রিসার্চ করতে হবে। জনপ্রিয় কিছু ফ্রি কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলস যেমন,

  • উবার সাজেষ্ট 
  • গুগল কিওয়ার্ড প্ল্যানার
  • সেমরাস গুগল ট্রেন্ডস 

এই টুলসগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।

👦প্রশ্ন: হোয়াইট হ্যাট এসইও করার মাধ্যমে কিভাবে আমার সাইটে ভিজিটর নিয়ে আসবো?
সাইটে ভিজিটর নিয়ে আসার জন্য অনেকগুলো উপায় আছে।সেগুলোর মধ্যে আমি কিছু সহজ উপায় আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

এসইও
একবারে ফ্রিতে সাইটে ভিজিটর নিয়ে আসার জন্য এসইও এর কোনো বিকল্প নেই।তবে যদি আপনি এসইও সমন্ধে তেমন একটা বুঝতে না পারেন যে কিভাবে শুরু করবেন।তাহলে আপনি দুইটি পদ্ধতিতে এসইও করতে পারেন।যথা: অনপেজ এসইও এবং অফ পেজ এসইও।

গেষ্ট পোষ্ট 
সাইটে ভিজিটর নিয়ে আসার জন্য বেশ জনপ্রিয় মেথড হলো গেষ্ট পোষ্ট চালু করা।অনেক বøগারদের পাবেন, যারা গেষ্ট পোষ্ট করার মাধ্যমে ব্যাকলিংক ক্রিয়েট করতে চায়।আপনি যদি তাদেরকে পোষ্ট করার সুযোগ দেন।তাহলে আপনি আপনার সাইটের ভিজিটর পেলেন।তার সাথে তারাও তাদের সাইটের জন্য ব্যাকলিংক পেলো।

ব্লগ কমেন্ট
ফ্রি ভিজিটর মেথডের মধ্যে ব্লগ কমেন্টিং হলো অন্যরকম একটি উপায়।যখন আপনি আপনার নিশ রিলেটেড কোনো ব্লগ পড়বেন।তখন আপনি আপনার সাইটের লিংক সমেত কমেন্ট করেন।তাহলে শুধু যে লিংক বিল্ডআপ হবে তা নয়।তার সাথে আপনি সেই ব্লগে আসা ভিজিটরদের মধ্যে কিছু ভিজিটরকেও আপনার সাইটে নিয়ে আসতে পারবেন।

ফোরাম পোষ্টিং
কোনো প্রকার অর্থ ব্যয় না করে ফোরাম পোষ্ট করার মাধ্যমেও ভালো পরিমানে ট্রাফিক নিয়ে আসা সম্ভব।গুগলে সার্চ করলে এমন অনেক ফোরাম সাইট পাবেন, যেগুলোতে ডু ফলো ব্যাকলিংকের সাথে ফোরাম পোষ্ট করা যায়।যদি সেই ফোরামে নিয়মিত ভিজিটর থাকে।তাহলে আপনার সাইটে ভিজিটর নিয়ে আসাটাও বেশ সুবিধার হয়ে যাবে।

👦প্রশ্ন: কিভাবে একটি সাইটের মালিকের সাথে যোগাযোগ করবো ?
 অনেক সময় কোনো সাইট কিংবা ব্লগের মালিকের সাথে যোগাযোগ করার প্রয়োজন হয়।কিন্তু বুঝে উঠতে পারিনা যে কিভাবে তাদের সাথে যোগযোগ করবো।সত্যি কথা বলতে অনেক সময় বিষয়গুলো যখন আমরা বুঝি না।তখন সেই সহজ বিষয়গুলোকেও অনেক কঠিন মনে হয়্।

যদি আপনি কোনো ব্লগে কিংবা ওয়েবসাইটের মালিকের সাথে যোগাযোগ করতে চান।তাহলে সাইট কিংবা ব্লগের সবার নিচে দেখবেন কন্টেক্ট আস নামের একটি অপশন আছে।কিংবা সরাসরি কোনো মেইল দেয়া আছে।এই অপশনগুলোর মাধ্যমে সেই মালিকের সাথে আপনি খুব সহজেই যোগযোগ করতে পারবেন।

👦প্রশ্ন: ব্লগ থেকে কি কি উপায়ে আয় করা যায়?
ব্লগ থেকে অনেকভাবে ইনকাম করা সম্ভব। গুগল এডসেন্স/ এফিলিয়েট মার্কেটিং/ পেইড স্পন্সারশিপ ছাড়াও অনেক মাধ্যম আছে।যার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্রগ থেকে ইনকাম করতে পারবেন।এ নিয়ে আমি বিস্তারিত আলোচনা করছি।আপনি চাইলে পড়ে নিতে পারেন।

আরও পড়ুন: কিভাবে বাংলা ব্লগ থেকে ইনকাম করা যায়?

👦প্রশ্ন: মোবাইল দিয়ে কি ব্লগিং করা যায়? 
জ্বী, মোবাইল দিয়েও ব্লগিং করা যায়।তবে যদি আপনি গুগল ব্লগার (ব্লগষ্পট) থেকে ব্লগিং করতে চান।তাহলে আপনি বেশ সহজভাবেই ব্লগিং করতে পারবেন।কিন্তু মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস থেকে ব্লগিং করতে চাইলে অনেকগুলো বিষয়ে সঠিকভাবে কাজ করতে পারবেন না।

👦প্রশ্ন: বাংলায় ব্লগিং করলে কি গুগল এডসেন্স পাওয়া যায়? 
গুগল এখন বাংলা বুঝতে পারে।তাই বাংলাতে ব্লগিং করলেও এখন গুগল এডসেন্স পাওয়া যায়।বর্তমানে অনেকেই বাংলাতে ব্লগিং করে গুগল এডসেন্স থেকে বেশ ভালো পরিমানে ইনকাম করতে পারছে।

👦প্রশ্ন: ব্লগষ্পট থেকে কি ওয়ার্ডপ্রেসে যাওয়া যায়? 
অবশ্যই যাওয়া যায়।আপনি যে কোনো সময় গুগল ব্লগার থেকে ওয়ার্ডপ্রেসে সুইচ করতে পারবেন।

👦প্রশ্ন: গুগল ফ্রি ব্লগার থেকে কি এডসেন্স পাওয়া যায়? 
যদি আপনি সম্পূর্ন ফ্রিতে একটি ব্লগ সাইট খুলতে চান।তাহলে আপনার জন্য গুগল ব্লগার বেষ্ট।এবং গুগলের ফ্রি ডোমেইন ব্লগষ্পট.কম থেকেও গুগল এডসেন্স এপ্রুভাল পাবেন।

👦প্রশ্ন: একটি ব্লগ পোষ্ট সর্বোচ্চ কত শব্দের হওয়া উচিত? 
এ প্রশ্নের উওরে অনেকে অনেক রকম মত প্রকাশ করেন।সেগুলো নিয়ে আমি বিস্তারিত আলোচনা করেছি।আপনি চাইলে সেই পোষ্টটি পড়ে নিতে পারেন।

আরও পড়ুন: এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার উপায়

তবে সাধারন দিক থেকে বিবেচনা করলে, ব্লগে লেখা প্রতিটা আর্টিকেল ১০০০ শব্দের হলে ভালো হয়।কিন্তু সব আর্টিকেল যে ১ হাজার শব্দের লিখতে হবে তারও কোনো মানে নেই।মূল কথা আপনি যে বিষয়ে আর্টিকেল লিখবেন, তা যদি ৫০০ শব্দেই ভিজিটরকে বোঝাতে পারেন।তাহলে আপনি কেন সেই বিষয়ে এক হাজার শব্দে লিখতে যাবেন?

👦প্রশ্ন: ব্লগের প্রতিটা পোষ্টে কিভাবে কিওয়ার্ড সেটআপ করা যায়? 
প্রোপার অনপেজ এসইও করার জন্য আপনাকে আপনার আর্টিকেলে সঠিকভাবে কিওয়ার্ড সেটআপ করে নিতে হবে।মেইন কিওয়ার্ডকে হেডিংগুলোতে বসানোর চেষ্টা করবেন।তার সাথে মেইন কিওয়ার্ডের সাথে সামন্জস্য এলএসআই কিওয়ার্ডগুলোকে সাবহেডিং কিংবা আর্টিকেলের মাঝে ফুটিয়ে তোলার চেস্টা করবেন।যেন মেইন কিওয়ার্ডের পাশাপাশি এলএসআই কিওয়ার্ডগুলোকেও র‌্যাংক করাতে পারেন।

👦প্রশ্ন: কতগুলো পোষ্ট করার পর গুগল এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়া যায়? 
আসলে এই প্রশ্নের সঠিক  উওর দেয়া মুশকিল।অনেকসময় ৮-১০ টি পোষ্ট পাবলিশ করলেও এপ্রুভাল পাওয়া যায়।আবার কখনও ৪০-৫০ টি পোষ্ট করেও এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়া যায়না।তবে আপনি যদি সম্পূর্ন ইউনিক আর্টিকেল লিখে পাবলিশ করেন।তাহলে ১০-১৫ টি আর্টিকেল পাবলিশ করেও এডসেন্স এপ্রুভাল পেতে পারেন।

👦প্রশ্ন: কিভাবে আমার ব্লগকে গুগলের প্রথম পেজে নিয়ে আসবো? 
গুগলের প্রথম পেজে ব্লগকে নিয়ে আসার জন্য আপনাকে এসইও করতে হবে। প্রোপার এসইও করার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগকে খুব সহজেই গুগলের প্রথম পেজে নিয়ে আসতে পারবেন।তবে শুরুর দিকে অনপেজ এসইও এবং তারপর অফপেজ এসইওতে মনযোগ দিবেন।

👦প্রশ্ন: একটি ব্লগ কতদিন পর গুগলের প্রথম পেজে আসতে পারে? 
গুগলের প্রথম পেজে আসতে ব্লগের বয়সে কোনো প্রভাব ফেলে না।আপনার ব্লগে যদি ভালো মানের আর্টিকেল থাকে।এবং তার সাথে সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারেন।সেই কিওয়ার্ডগুলোকে আপনার লেখা আর্টিকেলে সঠিকভাবে ইমপ্রুভ করতে পারেন।তাহলে ৭ দিনেও একটি ব্লগকে গুগলের প্রথম পেজে আসতে পারে।আবার এসব সম্পর্কে তেমন কোনো ধারনা না থাকলে ১ বছরেও ব্লগ র‌্যাংক করাতে পারবেন না।
New Post Older Post

Thanks For Read the Article