https://www.totobangla.net/search/label/Android

এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল (Pro SEO Tips) বাংলা ব্লগিং এসইও

আপনিও কি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে চান? সে তো ভালো কথা।ওয়েবসাইট/ব্লগকে গুগলে র‌্যাংক করানোর জন্য হাই কোয়ালিটি আর্টিকেলের কোনো বিকল্প নেই।

এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল-Pro SEO Tips

আপনিও কি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে চান? সে তো ভালো কথা।কারন আপনার ওয়েবসাইট/ব্লগকে গুগলে র‌্যাংক করানোর জন্য হাই কোয়ালিটি আর্টিকেলের কোনো বিকল্প নেই।আপনাকে সবার আগে ভালোমানের কন্টেন্টের উপর গুরুত্ব দিতে হবে।কারন গুগল তাদের প্রতিটা এলগরিদম আপডেটে ষ্পষ্টভাবে বলে দিয়েছে,”গুগল সার্চ ইন্জিনে শুধুমাএ সেইসব ওয়েবসাইট প্রথম পাতায় থাকবে।যে ওয়েবপেজগুলোতে হাই কোয়ালিটি কন্টেন্ট আছে”।

এখন আপনি বলতে পারেন, কন্টেন্ট তো যে কেউ লিখতে পারে।তাহলে সাধারন কন্টেন্ট আর এসইও ফ্রেন্ডলি কন্টেন্টের মধ্যে পার্থক্য কি?
-তাহলে শুনুন, যখন আমরা কোনো বিষয়/কিওয়ার্ডকে কেন্দ্র করে বিস্তারিত লিখি।সহজ ভাষায় আমরা সেইসব লেখাকে আর্টিকেল বলে থাকি।কিন্তু যখন আপনি ভিজিটরকে বেজ করে এবং সার্চ ইন্জিনে টপে আসার জন্য আর্টিকেল লিখবেন।তখন আপনাকে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে সেই আর্টিকেলকে অপটিমাইজ করতে হয়।অপটিমাইজেশন এর সেইসব পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করে যখন একটি আর্টিকেলকে সাজিয়ে নেয়া হয়।তখন তাকে আমরা বলি.”এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল”

আজকের আমি আপনার সাথে অপটিমাইজেশনের গুরুত্বপূর্ন গোপন টিপস শেয়ার করবো।যে টিপসগুলো ততোদিন প্রয়োজন হবে,যতোদিন আপনি ব্লগিং ক্যারিয়ারের সাথে যুক্ত থাকবেন।তাই একটু সময় নিয়ে পোষ্টটি পড়বেন, যেন এই একই বিষয় বোঝার জন্য গুগলের অন্যান্য ওয়েবপেজে ঘুরে সময় নষ্ট না করতে হয়।
আমি এই ব্লগিং সেক্টরের সাথে বেশ কয়েকবছর ধরে যুক্ত আছি।সেই সুবাধে আমি একসাথে অনেকগুলো ব্লগে লেখালেখি করি।প্রত্যেকটা ব্লগকে সার্চ ইন্জিনের টপ র‌্যাংকে নিয়ে আসার জন্য সর্বাদাই চেষ্টা করি।যেহুতু গুগলের পরবর্তী আপডেটগুলোতে হাই কোয়ালিটি কন্টেন্টকে প্রাধান্য দিচ্ছে। সেজন্য প্রায় সবগুলো ব্লগে প্রতিনিয়ত হাই কোয়ালিটি কন্টেন্ট পাবলিশ করে ব্লগকে আপডেট রাখতে হয়।

আমার ব্লগিংয়ের এই জার্নিতে কিভাবে কোয়ালিটি কন্টেন্ট লিখে সার্চ র‌্যাংকিং এ টপে আসা যায়।ইতিমধ্যেই সে বিষয়গুলো নিজের মধ্যে ভালোভাবে আয়ও করতে পেরেছি।কারন আমি লক্ষ্য করছি যে, যখন আমি কিছু কিছু ব্লগে হাই কোয়ালিটি কন্টেন্ট পাবলিশ করি।এসইও এর সুবাদে সেগুলো কিছুদিনের মধ্যেই সার্চ র‌্যাংকিংয়ের টপে চলে আসে।
এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল
এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল

এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার নিয়ম

আপনি এসইও সমন্ধে তেমন জ্ঞান না রেখেই যদি একের পর এক আর্টিকেল পাবলিশ করেই যান।তাহলে অধিকাংশ সময় গুগল সার্চ ইন্জিনে সেই ব্লগ এবং ব্লগ আর্টিকেলগুলোর কোনো মূল্যই থাকবে না।কারন আপনি প্রচুর সময় ব্যয় করে তো আর্টিকেল লিখছেন ঠিকই।কিন্তু তা ভিজিটরদের নিকট পৌঁছাতেই পারছেন না।তাহলে আপনার মেধা ও শ্রম দুটোই বৃথা যাবে-তাইনা?

কোনো বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত লেখার আগে আপনাকে সেই বিষয় সম্পর্কে ভালোভাবে রিসার্চ করে নিতে হবে।অপটিমাইজেশন বা এসইও সমন্ধে পরিপূর্ন অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।কিন্তু যদি আপনি এসব বিষয়কে এড়িয়ে চলেন।তাহলে তা শুধু কলুর বলদের মতো পরিশ্রম করা হবে।

জেনে নেয়া যাক, আর্টিকেলকে অপটিমাইজেশ করার জন্য শুরুতে কোন কোন বিষয়গুলো জানতে হবে।
  1. আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ড
  2. আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য
  3. পোষ্ট টাইটেল এবং মেটা টাইটেল
  4. পোষ্ট মেটা ডিসস্ক্রিপশন
  5. ইমেজ অল্ট এট্রিবিউট
  6. ইন্টারনাল লিংক এবং এ্যংকর টেক্সের ব্যবহার
  7. H1,H2,H3 হেডিং
আজকের আর্টিকেলটি পড়লে আপনি এই ধাপগুলো নিজে থেকেই সম্পন্ন করতে পারবেন।হয়তবা শুরুর দিকে একটু কষ্টসাধ্য মনে হবে।তবে ব্লগিং করার অদম্য ইচ্ছা থাকলে ধীরে ধীরে সব সহজ মনে হবে আপনার কাছে।

টার্গেটেড কিওয়ার্ড

একটি আর্টিকেলকে সঠিকভাবে অপটিমাইজ করার জন্য কিওয়ার্ডের গুরুত্ব অপরিসীম।আপনি আসলে কোন বিষয়ে আর্টিকেল লিখছেন তা গুগল সার্চ ইন্জিনকে কিওয়ার্ডের মাধ্যমে বোঝাতে হবে।আর সেজন্য আপনাকে আপনার টার্গেট করা কিওয়ার্ড গুলোকে আর্টিকেলের মধ্যে ফোকাস করতে হবে।

আমি বেশ কয়েকবছর থেকেই ব্লগিং করি।সেদিক থেকে এসইও সমন্ধে বেশ পাকাপোক্ত জ্ঞান অর্জন করতে পেরেছি।আপনি বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, একটা সময় ছিলো।যখন ব্লগাররা অন্যের আর্টিকেল কপি করে কিংবা সামান্য ব্লাক হেট এসইও প্রয়োগ করে আর্টিকেল পাবলিশ করতো।আর কিওয়ার্ড ষ্টাফিং করে সহজেই তারা তাদের আর্টিকেলকে গুগলের টপ র‌্যাংকে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিলো।কারন তখন গুগল প্যানাল্টির তেমন একটা ভয় ছিলো না।

কিন্তু আজকের দিনে যদি আপনি আপনার আর্টিকেলে কিওয়ার্ডের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে না বুঝেন।তাহলে আপনার আর্টিকেলটি হাজার হাজার আর্টিকেলের নিচে চাপা পড়ে যাবে।কারন আপনার মতো অনেকেই আছেন, যারা আপনার সেম কিওয়ার্ড নিয়ে কিওয়ার্ডের সঠিক প্রয়োগ করে আর্টিকেল পাবলিশ করেছে।বর্তমানে প্রতিযোগীতা যে চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।সে সম্পর্কে তো নিশ্চই অবগত আছেন।

কিওয়ার্ডকে যদি আমরা ২ ভাগে ভাগ করি যেমন,
  1. মেইন কিওয়ার্ড
  2. এলএসআই কিওয়ার্ড
আর্টিকেলের মাঝে এই কিওয়ার্ড গুলোকে যথাস্থানে বসাতে হবে।যেন গুগল বোট আপনার আর্টিকেলকে ইনডেক্স করার সময় আপনার আর্টিকেলের মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা পায়।সেজন্য আপনার টার্গেট করা মেইন কিওয়ার্ডগুলোকে মূল হেডিং পয়েন্টগুলোতে বসানোর চেষ্টা করবেন।তারপর সেই কিওয়ার্ড রিলেটেড যে এলএসআই কিওয়ার্ডগুলো থাকবে।সেগুলোকে সাবহেডিং কিংবা মাইনোর হেডিং পয়েন্টগুলোতে বসানোর চেস্টা করবেন।

এছাড়াও আমি বাংলা ভাষায় কিভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন।সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।আপনি চাইলে পড়ে নিতে পাড়েন।

আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য

একটি আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য আসলে কতটুকু হওয়া উচিত।এ বিষয়টি নিয়ে অনেকজনকে অনেকরকম মতামত দিতে দেখেছি।কেউ কেউ বলে, যতো বড় আর্টিকেল লিখে ব্লগে পাবলিশ করবেন।সেই আর্টিকেল সহজেই গুগলের টপে র‌্যাংক করবে।আবার কেউ কেউ বলে, আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য এসইওতে তেমন একটা প্রভাব ফেলে না।মূল বিষয়গুলো প্রকাশ করে ছোট আর্টিকেলও র‌্যাংক পায়।

তবে আমার মতে আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য এসইওতে প্রভাব ফেললেও ভিজিটররা এখন বেশি বড় আর্টিকেল  পড়তে চায়না।কারন বর্তমানে ইউটিউব কিংবা অডিও ফাইলের প্রভাবে।ভিজিটররা আর্টিকেল পড়ে বুঝবে, এই ধৈর্য এখন আর তাদের মধ্যে নেই।

তাই আমি বলবো, বেশি দীর্ঘ আর্টিকেল না লিখে স্বল্প পরিসরে মূল বিষয়বস্তু ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করবেন।এতে করে ভিজিটরদের আপনার লেখাগুলো পড়ার আগ্রহ বাড়বে।কারন গুগলে কেউ যখন কোনো সমস্যায় পড়ে তখনই কোনো না কোনো বিষয়ে সার্চ করে।ভিজিটরদের সমাধান দরকার,আপনার আর্টিকেল নয়।এই কথাটা মাথায় রেখে আর্টিকেল লেখা উচিত বলে আমি মনে করি।

পোষ্ট টাইটেল এবং মেটা টাইটেল

যখন আমরা গুগলে কোনো কিছু সার্চ করি।তখন সার্চ রেজাল্টগুলোতে উপরের পিকচারের মতো দুটো অংশ দেখতে পাই।যথা:
  1. পোষ্ট টাইটেল 
  2. মেটা ডেসস্ক্রিপশন
প্রথমে আপনাকে জানতে হবে, পোষ্ট টাইটেল এবং মেটা টাইটেল এর মাঝে পার্থক্য কি।

পোষ্ট টাইটেল: সার্চ ইন্জিনে ভিজিটররা প্রথমে আপনার টাইটেলটি দেখতে পারবে।

মেটা টাইটেল:  পোষ্ট টাইটেল ভিজিটরকে আর্কষিত করতে পারলে।তারপর ভিজিটররা আপনার টাইটেলের সংক্ষিপ্ত বর্ননার দিকে নজর দিবে।

💡Pro Tips: আপনার আর্টিকেলে থাকা পোষ্ট টাইটেলটি সর্বদা ৬০-৬৬ শব্দের মধ্যে রাখার চেষ্টা করবেন।

পোষ্ট মেটা ডিসস্ক্রিপশন

যারা ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারী, তারা তাদের মেটা ডিসস্ক্রিপশনকে এসইও অপটিমাইজ করার জন্য অনেক টুলসের সাহায্য নিতে পারে।কিন্তু ব্লগারদের নিজে থেকেই এই কাজগুলো করে নিতে হয়।তবে মনে রাখা ভালো, পোষ্টের মেটা ডিসস্ক্রিপশন সার্চ র‌্যাংকিং করার জন্য অনেক বড় প্রভাব ফেলে।
যখন কেউ গুগলে কোনো বিষয় সম্পর্কে সার্চ করার যখন আপনার ব্লগ পোষ্ট শো করে।তখন তারা প্রথমে আপনার পোষ্ট টাইটেলকে পড়বে।যদি আপনার পোষ্ট টাইটেল তাদের পছন্দ হয়,তারপর তারা আপনার দেয়া শর্ট ডেসস্ক্রিপশনকে পড়বে।যদি আপনি এই দুটো অংশে ভিজিটরদের আগ্রহ তৈরি করতে পারেন।তাহলে আপনি গুগল থেকে অর্গানিক ট্রাফিক পাবেন।

যদি আপনি আপনার আর্টিকেলে মেটা ডিসস্ক্রিপশনকে অপটিমাইজ না করেন।তাহলে এর কারনে আর্টিকেল র‌্যাংক করলেও ধীরে ধীরে সেই আর্টিকেলটি র‌্যাংক হারানো শুরু করবে।কারন আপনার একই বিষয়ে লেখা আরও অনেক আর্টিকেল সার্চ র‌্যাংকিংয়ে আসার জন্য প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছে।

💡Pro Tips: মেটা ডিসস্ক্রিপশন সর্বদা ১৫০-১৫৬ ওয়ার্ডে রাখবেন।আর সেই ডিসস্ক্রিপশনে আপনার মূল কিওয়ার্ডকে ফোকাস রাখবেন।

ইমেজ অল্ট এট্রিবিউট
এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল
এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল

বেশিরভাগ মানুষ তারা তাদের ইমেজকে অপটিমাইজ না করেই আপলোড করে দেয়।আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন যে, আমরা আমাদের যে ইমেজগুলো ব্যবহার করি,সেগুলোর ফরম্যাট ঠিক এমন হয়, (image001.jpg) তবে মনে রাখা ভালো, গুগল কখনই ইমেজে থাকা Text গুলোকে পড়তে পারেনা।তাই  গুগলকে আপনার ইমেজেরে বিষয়বস্তু সম্পর্কে বোঝানোর জন্য সঠিকভাবে অপটিমাইজ করে নিতে হবে।
                                                           
ইমেজকে অপটিমাইজ করার জন্য অনলাইনে অনেক প্রকার সফটওয়্যার বা টুলস পাবেন।আপনি সেগুলোকে ব্যবহার না করে।যদি নিজে থেকেই ম্যানুয়ালি কাজটি করেন।তাহলে সঠিকভাবে অপটিমাইজেশন করতে পারবেন।

ইন্টারনাল লিংক এবং এ্যংকর টেক্সের ব্যবহার

  • ইন্টারন্যাল লিংকঃ 
যখন আপনি আপনার ব্লগের জন্য এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখবেন।তখন সর্বদা চেষ্টা করবেন আপনার ব্লগে পাবলিশ করা পুরাতন পোষ্টগুলিকে নতুন পোষ্টের মাধ্যমে লিংকিং করতে।যেন গুগল আপনার ব্লগের পুরাতন পোষ্টগুলোকেও পুনরায় ক্রাউল করতে পারে।

একই আর্টিকেলকে বারবার ক্রাউল হলে, গুগল র‌্যাংকিংয়ে তা পজেটিভ সিগন্যাল বহন করে।কারন, যখন  আপনি নতুন একটি আর্টিকেল পাবলিশ করবেন।তখন গুগল সেই আর্টিকেলকে ক্রাউল করার সময় যদি পোষ্টের ভেতরে পুরাতন কোনো আর্টিকেলের লিংক পায়।তাহলে সেই লিংকে গুগল পুনরায় ক্রাউল করবে।আর এটা এসইও এর ক্ষেএে পুরাতন পোষ্টের র‌্যাংকিং বাড়াতে কিংবা র‌্যাংকিং পজিশন বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
  • এ্যাংকর টেক্সঃ
আপনার পুরাতন পোষ্টকে ইন্টারনাল লিংকিং করার সময় চেষ্টা করবেন, সেই লিংকে এ্যংকর টেক্সের মাধ্যমে লিংকিং করার।আর সেই এ্যংকর টেক্সটি পুরাতন পোষ্টের ফোকাস কিওয়ার্ডকে ব্যবহার করবেন।যেমন, আমার ব্লগে একটি ”মোবাইল দিয়ে কার্টুন ভিডিও” বানানোর পুরাতন পোষ্ট আছে।আমি সেই পোষ্টকে এখানে মেইন কিওয়ার্ড দিয়ে ইন্টারনাল লিংকিং করলাম।
যতো সম্ভব নতুন আর্টিকেলের সাথে পুরাতন আর্টিকেলকে লিংক করার চেষ্টা করবেন।মনে রাখবেন, এতে আপনার এসইওতে তেমন কোনো ক্ষতি করবে না।

(H1-H6) হেডিং

সর্বদা চেষ্টা করবেন, কিওয়ার্ড ফোকাসিং অপটিমাইজ হেডিং ট্যাগ ব্যবহার করার।

💡Pro Tips: হেডিং ট্যাগ ব্যবহার করার সময় সতর্ক থাকবেন।কারন হেডিং ট্যাগ যেন কোনোভাবেই কপিরাইটের আওতায় না পড়ে।

সাধারনত আমাদের ওয়ার্ডপ্রেস কিংবা বøগারে এইচ ওয়ান ট্যাগটি ডিফল্টভাবে টাইটেলকে সিলেক্ট করে।আমাদের শুধু এইচ ২ এবং এইচ থ্রি ট্যাগকে অপটিমাইজ করে সাজাতে হবে।এই হেডিং ট্যাগগুলো এসইও তে বিরাট প্রভাব ফেলে থাকে।আর সবসময় আপনার মেইন কিওয়ার্ডকে কোনো না কোনোভাবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে হেডিং ট্যাগে প্রয়োগ করার চেষ্টা করবেন।
নিচে কিছু হেডিং দেওয়ার উদারহরন দেওয়া হলো:

<H1> অনলাইনে ইনকাম করুন খুব সহজেই <H1>
<H2> কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায়?<H2>
<H3> ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম <H3>
<H4> ফ্রিল্যান্সিং কি? <H4>
<H5> আউটসোর্সিং করে ইনকাম <H5>
<H6> আউটসোর্সিং কি?<H6>

পোষ্ট ইউআরএল/পার্মালিংক

ব্লগে আর্টিকেল পাবলিশ করার পর।সেই আর্টিকেলের একটি ছোট লিংক ক্রিয়েট হয়।সেই লিংকটিকেই বলা হয় পার্মালিংক।টাইটেল ট্যাগ যেমন একটা আর্টিকেলের পুরো বিষয়কে এক লাইনে প্রকাশ করে।ঠিক তেমনি আর্টিকেলের মূল বিষয়বস্তুকে ছোট লিংকের সাহায্য ভিজিটরদের অবগত করার জন্য পার্মালিংকের গুরুত্ব অপরিসীম।তাই পার্মালিংক দেয়ার সময় দুটি বিষয়ে বেশ সতর্ক থাকতে হয়।


  • ফোকাস কিওয়ার্ড: আপনার যে কিওয়ার্ডকে টার্গেট করে আর্টিকেল লিখবেন।সর্বদা চেষ্টা করবেন সেই কিওয়ার্ডকে পার্মালিংকে ফোকাস করার জন্য
  • সমাপ্তিসূচক শব্দ: আমি অনেক ব্লগারদের পার্মালিংকে দেখি সমাপ্তিসূচক শব্দ ব্যবহার করে।যেমন, এ,এন,দি,টু ইত্যাদি। ”হাউ টু রাইট এন আর্টিকেল”-এখানে ”টু”এবং ”এন” হলো সেই পার্মালিংকের সমাপ্তিসূচক শব্দ।গুগল এইসব পার্মালিংকে কম প্রাধান্য দেয়।তবে আপনি যদি ”হাউ টু রাইট এন আর্টিকেল” না দিয়ে যদি ”রাইট অপটিমাইজ আর্টিকেল” দেন।তাহলে সেটা গুগলের সার্চে র‌্যাংক করার সম্ভাবনা অনেক অংশেই বেড়ে যাবে।
💡Pro Tips: টাইটেল ট্যাগে যেভাবে প্রশ্ন এবং লোভনীয় কিছু শব্দের ব্যবহার নিয়ে যে টেকনিকগুলো বলেছি।পার্মালিংকেও সেই টেকনিকগুলো ফলো করা চেস্টা করবেন।

এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল নিয়ে সর্বশেষ আলোচনা

  • সর্বদা কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন।
  • আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য সম্পর্কে ধারনা নিবেন।
  • রিসার্চ করুন আপনার আর্টিকেলের সঠিক ফরম্যাট সম্পর্কে
  • টপ ১০ এ র‌্যাংক থাকা আর্টিকেল সম্পর্কে রিসার্চ করুন।
  • মানুষ যে বিষয়গুলো সার্চ করে।সেগুলোকে নোটপ্যাডে লিস্ট করুন।
  • পোষ্ট টাইটেল এবং মেটা ডিসস্ক্রিপশনকে অপটিমাইজ করুন।
  • ইমেজকে অপটিমাইজ করুন।
  • ইন্টারন্যাল লিংকিং।
  • সঠিক হেডিং ট্যাগ প্রয়োগ করুন।

যদি আপনার এই পোষ্টটি উপকৃত মনে হয়।অনুগ্রহ করে আপনার মতো যাদের উপকার হবে, তাদের সাথে শেয়ার করুন।



COMMENTS

Name

Android,3,Bangla Tech News,3,Blogger Templates,1,Blogging Tips,11,How to earn money,3,Technology Tips,18,
ltr
item
Toto Bangla: এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল (Pro SEO Tips) বাংলা ব্লগিং এসইও
এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল (Pro SEO Tips) বাংলা ব্লগিং এসইও
আপনিও কি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে চান? সে তো ভালো কথা।ওয়েবসাইট/ব্লগকে গুগলে র‌্যাংক করানোর জন্য হাই কোয়ালিটি আর্টিকেলের কোনো বিকল্প নেই।
https://1.bp.blogspot.com/-so1IMsY-kNk/XbWVtisWt5I/AAAAAAAABMQ/uGBp-yPgIjszHCNgIwKxwOJVDko4WpqfgCLcBGAsYHQ/s1600/%25E0%25A6%258F%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%2593-%25E0%25A6%25AB%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25B0%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A1%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25BF-%25E0%25A6%2586%25E0%25A6%25B0%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%2595%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25B2.jpg
https://1.bp.blogspot.com/-so1IMsY-kNk/XbWVtisWt5I/AAAAAAAABMQ/uGBp-yPgIjszHCNgIwKxwOJVDko4WpqfgCLcBGAsYHQ/s72-c/%25E0%25A6%258F%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%2593-%25E0%25A6%25AB%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25B0%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A1%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25BF-%25E0%25A6%2586%25E0%25A6%25B0%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%2595%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25B2.jpg
Toto Bangla
https://www.totobangla.net/2019/10/seo-friendly-article.html
https://www.totobangla.net/
https://www.totobangla.net/
https://www.totobangla.net/2019/10/seo-friendly-article.html
true
2751192689318996488
UTF-8
Loaded All Posts Not found any posts VIEW ALL Readmore Reply Cancel reply Delete By Home PAGES POSTS View All RECOMMENDED FOR YOU LABEL ARCHIVE SEARCH ALL POSTS Not found any post match with your request Back Home Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS PREMIUM CONTENT IS LOCKED STEP 1: Share to a social network STEP 2: Click the link on your social network Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy