.breadcrumbs{display:none !important;}

Bangla blog থেকে কি ইনকাম করা যায়? Bangla tech blog-totobangla.net

Earn Money From Bangla Blog Site

বাংলা ব্লগ থেকে ইনকাম করতে গেলে শুরুতেই কিছু প্রশ্ন মাথার মধ্যে চলে আসে
  • How to start a blog
  • How to create a blog
  • how to write a blog
যখন এই প্রশ্নের উওরগুলো পাবেন।তখন আবার আরও বেশ কিছু প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খায়।
  • কোন নিশে কাজ করবো
  • কি কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করবো
  • কোন নিশে কাজ করলে বেশি পরিমানে ভিজিটর পাবো,
  • গুগল এডসেন্স পাবো কিনা ইত্যাদি।
এমন অনেক চিন্তাভাবনা করার পর শুরু হয় ব্লগিং ক্যারিয়ার।ধীরে ধীরে কাজ করতে করতে হঠাৎ একদিন পেয়ে যাবেন Google AdSene Approval।আপনি যখন এডসেন্স এপ্রুভালের ইমেইলটা পাবেন।বিশ্বাস করুন তখন আপনি এতোটাই খুশিতে আত্মহারা হয়ে যাবেন, যা বলার মতো নয়।

আর এই খুশিটা আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ারের প্রতি আগ্রহটা আরও দশ গুন বাড়িয়ে দিবে। এই আগ্রহ থেকে আপনি যতোবেশি আপনার ব্লগের জন্য কাজ করবেন।ঠিক সেভাবে আপনার ব্লগটিও ধীরে ধীরে গুগলে Rank করতে শুরু করবে।আর একবার গুগলে র‌্যাংক করলেই তো বুঝতে পারছেন।আপনি হয়ে যাবেন একজন সফল ব্লগার।

-জ্বী ভাই! বিষয়টা এমনই।তবে এটি একটি ব্লগারের জীবনের তিন লাইনের সংক্ষিপ্ত বর্ননা মাএ।এই ছোট একটা গল্পের মাঝে লুকিয়ে থাকে একজন ব্লগারের শত শত কষ্ট,অক্লান্ত পরিশ্রম,ধৈর্য আর মেধা।এই অক্লান্ত পরিশ্রম আর মেধার ব্যয় আমি আর আপনার মতো লোক ছাড়া কয়জনই বা করতে পারে বলুন!

তো যাইহোক, যেহুতু আপনারও ইচ্ছে আছে ব্লগারের এই অক্লান্ত পরিশ্রম আর মেধা ব্যয় করে,অনলাইনে ভালো মানের ইনকাম করার।তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক, কিভাবে আপনি একটি ব্লগ তৈরি করবেন।আর সেই ব্লগ থেকে কিভাবে ইনকাম করতে পারবেন।সে বিষয়ে সম্পূর্ন ধারনা দিতেই আজকে আমি হাজির হয়েছি।তবে আজকে মুল বিষয়গুলো নিয়ে সাধারনভাবে আলোচনা করবো।পরবর্তীর্তে ধাপে ধাপে ব্লগ সিরিজের প্রত্যেকটা বিষয় নিয়ে পর্যায়ক্রমে আলোচনা করবো।

আজকের সিরিজের প্রথম টপিক
all bangla blog site picture
Bangla blog

Bangla blog-All about Bangla Blog Site

ব্লগ সিরিজের শুরুতে আপনাকে ব্লগ সম্পর্কে নিজের ভাষায় ছোট্ট একটু ধারনা দেই।ব্লগ হলো মূলত লেখালেখি করার উপযুক্ত একটি প্ল্যাটফর্ম।শুধু লেখালেখি করলেই হবে না।আপনার লেখা বিষয়গুলি যেন অন্য কারও উপকারে আসে।আপনাকে সেই বিষয়ের উপর খেয়াল রেখে লিখতে হবে।

উদাহরন হিসেবে বলতে গেলে, ইউটিউবের কথাই বলি।ইউটিউব হলো মূলত ভিডিও শেয়ারিংয়ের একটি প্ল্যাটফর্ম।সেখানে  ইনকাম করতে হয় ভিডিও পাবলিশ করে।ঠিক তেমনি ব্লগিংয়ে আপনাকে ইনকাম কতে হবে লেখালেখি করার মাধ্যমে।
তো আমরা বাংলাদেশিরা ব্লগিংয়ের শুরতে চিন্তায় পড়ে যাই, কোন ভাষা নিয়ে ব্লগিং শুরু করবো? বাংলা নাকি ইংরেজি?

দেখুন বর্তমান সময়ে, আপনি চাইলে বাংলা বা ইংরেজি দুটোর যে কোনো একটাতে ব্লগিং শুরু করতে পারেন।যদি আপনার ইংলিশে দক্ষতা ভালো হয় তাহলে, ইংরেজিতে ব্লগিং করতে পারেন।আবার আপনি চাইলে বাংলা বা ইংলিশ দুটোতেই ব্লগিং করতে পারেন।

আপনার ব্লগিংয়ের শুরুর দিকে অনেক অভিজ্ঞ ব্লগার কিংবা ইউটিউবাররা ইংলিশে ব্লগিং করার উপদেশ দিতে পারে।কিন্তু আমার মতো যেসব পাবলিক ইংলিশ কম বুঝি। তারা  তো হাজার হাজার শব্দের ইংরেজি কন্টেন্ট লিখতে পারবে না।

সেই সব পাবলিক যদি চায় তাহলে বর্তমানে বাংলাতে ব্লগিং করতে পারে।গুগল কয়েকমাস আগে জানিয়ে দিয়েছে।তারা এখন বাংলা ভাষা বুঝতে পারে।সেজন্য বাংলা নিয়ে কাজ করা সাইটগুলোতেও এখন এডসেন্স এপ্রভাল দিবে।
তার মানে আমি কিন্তু জোর করছি না যে বাংলা নিয়েই ব্লগিং করেন।কারন ইংলিশ নিয়ে ব্লগিং করলে আপনার ইনকাম তুলনামূলক বেশি হবে বাংলা ব্লগের চেয়ে।একটা ইংলিশ ব্লগে ১০ জন ভিজিটরে আপনার যদি ইনকাম হয় ১ ডলার।অপরদিকে বাংলাতে ব্লগে সেই ১ ডলার আয় হবে ৫০ জন ভিজিটরে।তো বোঝাই যাচ্ছে কেন সবাই ইংলিশ নিয়ে ব্লোগিং করার পরামর্শ দেয়।এর বাইরেও আরও কিছু বিষয় আছে।যা এই পোষ্টে বিষদভাবে আলোচনা করবো।

how to start a blog

আপনি ব্লগিং করতে চাইলে দুইভাবে ব্লগিং করতে পারেন।
১. ব্লগার ব্লগষ্পটের মাধ্যমে (Blogger.blogspot)
২. ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে (Wordpress)

ব্লগিং শুরু করতে চাইলে ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেসের যে কোনো একটিকে আপনি বাছাই করে নিতে পারেন।আপনি চাইলে ব্লগার ব্লগষ্পট থেকে শুধু একটা টপ লেভেল ডোমেইন কিনে শুরু করতে পারেন।আর যদি চান যে ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে ব্লগিং শুরু করবেন।তাহলে আপনি একটা টপ লেভেল ডোমেইনের সাথে হোস্টিং কিনে নিয়ে ব্লগিং শুরু করতে পারেন।

যদি আপনি মনে করেন শুরুর দিকে বেশি ব্যয় করতে চান না।আপনি স্টুডেন্ট তাই এতো টাকা ব্যায় কতে পারবেন না।তাহলে আমি আপনাকে বলবো আপনি একটা ভালো ডোমেইন কিনে ব্লগার ব্লগষ্পট দিয়ে ব্লগিং শুরু করুন।ব্লগার ব্লগষ্পট তো গুগলের নিজস্ব প্রডাক্ট।



এখানে কিছু ভালো ডোমেইন এবং হোস্টিং প্রভাইডারের নাম দেওয়া হলো।
  • Godaddy
  • Namecheap
  • Host Gator
  • Dianahost (Bangladesh)
  • NHost Bd (Bangladesh)
আপনি চাইলে অন্য কোনো ডোমেইন ও হোস্টিং প্রভাইডারের কাছ থেকেও নিতে পারেন।তবে পোষ্টের মাধুর্যতার স্বার্থে আমি কিছু নাম বললাম আরকি।

তো হয়ে গেলো আপনার একটি ব্লগ সাইট।এখন প্রয়োজন আপনার সাইটকে মনের মতো করে সাজানো।গুগলে সার্চ করলে আপনার সাইটকে সাজানোর জন্য অনেক টেমপ্লেট পাবেন।যে টেমপ্লেটটি আপনার পছন্দ হয়।সেই টেমপ্লেটটি ডাউলোড করে আপনার সাইটে ইনপুট করুন।

তবে টেমপ্লেট নির্বাচনে কিছু বিষয় খেয়াল করবেন।

১. টেমপ্লেটে হোমপেজে যেনো অতিরিক্ত মাএায় উইজেড না থাকে।
২. টেমপ্লেটটি যেনো খুব ভারী/স্লো না হয়
৩. টেমপ্লেট মোবাইল রেন্সপন্সসিভ হতে হবে।
৪. এসইও ফেন্ডলি হতে হবে।

উপরোক্ত বিষয়গুলো খেয়াল রেখে আপনার টেমপ্লেটটি নির্ধারন করলেই যথেষ্ট।পরবতীতে সেই টেমপ্লেটকে নিজের মতো করে কাষ্টমাইজ করে নিতে পারবেন।
তো এতক্ষনে হয়ে গেলো আপনার একটি সাইট তৈরি করা।তার সাথে ডোমেইন এবং টেমপ্লেট যুক্ত করা।আপনার সাইট এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।এখন শুরু করতে হবে আপনার সাইটে লেখালেখি করা।তো চলুন এবার আলোচনা করা যাক, আপনি কি লিখবেন, কোন বিষয়ের উপর লিখবেন।

how to write a blog

আপনি কোন বিষয়ের উপর ব্লগিং করবেন।মূলত অনলাইনের ভাষায় সে বিষয়কেই বলা হয় নিশ।আর যখন কোনো নিশের উপর লেখালেখি করবেন।অনলাইনের ভাষায় সেই লেখাকে বলা হয় কন্টেন্ট।
শুরুতে কন্টেন্ট নিয়ে বইয়ের ভাষায় কিছু কথা বলবো।তারপর শেষের দিকে আপনাদের কিছু সহজ টিপস দিবো কন্টেন্ট রাইটিংয়ের উপরে।

নিশ সিলেকশন করতে গেলে সবাই আপনাকে একটা কমন উওর দিবে।সবাই বলবে আপনি যে বিষয়ের উপর ভালো জানেন।আপনার যে বিষয়ে ভালো দক্ষতা আছে।আপনি সেই বিষয়ে লেখালেখি করেন। অবাক করা বিষয় হলো, আমিও আপনাকে সেই কথাটিই বলবো।কারন অনলাইনে দক্ষতা ছাড়া কোনো মূল্য পাবেন না।তাই আপনি যে বিষয়ে ভালো বোঝেন বা আপনার যে বিষয়ে দক্ষতা বেশি আছে।আপনি সেই বিষয় নিয়েই লেখালেখি করতে পারেন।
ধরুন আপনি অনেক ভালো রান্না করতে পারেন।আপনি চাইলে রান্না নিয়ে আপনার সাইটে লেখালেখি করতে পারেন।নিজে নিজেই ভিন্ন ভিন্ন রান্নার আইটেম তৈরি করে।সেগুলো সম্পর্কে লেখালেখি করে।আপনার ভিজিটরদের জানাতে পারেন।

শুধু রান্নাই নয়, হতে পারে আপনি গল্প লিখতে ভালোবাসেন অথবা গান লিখতে ভালোবাসেন। সেটা যে কোনো বিষয়ে হোক না কেন।আপনি আপনার সাইটে লেখালেখি করতে পারেন।
কারন সৃষ্টিকর্তা সব মানুষের কিছু না কিছু দক্ষতা দিয়েই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন।খুজতে থাকুন আপনি আসলে কোন বিষয়ে দক্ষ।কোন বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করতে আপনার অনেক ভালো লাগে।যে যে বিষয়গুলো আপনার মনে হবে আপনি দক্ষ।সেই বিষয়গুলো নিয়েই আপনার সাইটে লেখালেখি শুরু করতে পারেন।

কিন্তু আসল কথা হলো, আমাদের মধ্যে অনেক মানুষ আছে।যাদের দক্ষতা থাকার পরও মেধা খাটাতে চায়না।তারা কিভাবে ব্লগে/সাইটে লেখালেখি করবে?তাদের জন্য কিছু গোপস টিপস আছে।তো চলুন সেই টিপসগুলো কি কি জেনে নেয়া যাক।

Bangla Content Writing Hidden Trick

শুরুতেই বলে নেই গুগলের সাথে বেশি চালাকি করা যাবেনা।তাহলে ধরা খাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।কিন্তু আপনার কাজে মধ্যে যদি সাবধানতা অবলম্বন করে চলেন।তাহলে ধরা খাওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কম।
আমাদের মধ্যে অনেক মানুষ আছে যাদের অনেক দক্ষতা আছে।কিন্তু কোনো বিষয়কে সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখতে পারে না।আবার লিখতে পারলেও সেই লেখা অন্যদের কাছে বোধগম্য হয় না।তাহলে আপনি কিছু কাজ করতে পারেন।

ধরুন আপনি লিখতে চাচ্ছেন হাউ টু মেক এ ওয়েবসাইট।গুগলে গিয়ে গিয়ে এই কথাটাই লিখে সার্চ করুন।দেখবেন অনেকগুলো ইংলিশ ওয়েবসাইটে এই সম্পর্কে বিষদভাবে বর্ননা করা আছে ।কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন সে সম্পর্কে। আপনি সেই লেখাগুলোকে গুগলে ট্রান্সলেট করুন।

ট্রান্সলেট করার পর সেই লেখাগুলোকে ভালোভাবে পড়বেন।পড়ে বোঝার চেষ্টা করবেন যে কি বোঝাতে চেয়ে সেই লেখাগুলোতে।তারপর সেই অনুযায়ী নিজের ভাষায়, নিজের মতো করে আপনি কন্টেন্ট লিখে ফেলুন।
তবে গুগলে ট্রান্সলেট করে সরাসরি আপনার সাইটে পোষ্ট করবেন না।এতে করে গুগল আপনাকে ধরে ফেলবে।তার সাথে শাস্তি হিসেবে আপনার সাইটকে ব্যান করে দিতে পারে।

যেহতু আজকে ব্লগিংয়ের প্রথম সিরিজ।তাই স্বল্প সময়ে আপনাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করবো।তাই এখন আলোচনা করবো কিভাবে আপনি ব্লগিং করে ইনকাম করবেন।

earn money blogging

এতক্ষন বকবক করার পর এখন আসলাম মূল বিষয়ে।কিভাবে আপনি ব্লগিং করে ইনকাম করতে পারবেন।ব্লগিং থেকে বিভিন্ন উপায়ে আয় করা গেলেও। আমি আপনাদের কাছে প্রধান দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো।



১.   গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে (Google AdSense)
২. এফিলিয়েট মার্কেটিং করার মাধ্যমে (Affiliate Marketing)

গুগল এডসেন্স(Google AdSense):একটা ওয়েবসাইট খোলার পর সবার একটা ইচ্ছা থাকে।তার ওয়েবসাইটে যেন Google AdSense Approved হয়।কারন ইনকামের শুরুটা এখান থেকেই হয়।আপনার সাইটে ভালো ভালো কন্টেন্ট দিবেন।কন্টেন্টের লোভে ভিজিটর আসবে।আর ভিজিটরের লোভে গুগল আপনার সাইটে এড দিবে।তারপর সেই এড থেকে আপনার ইনকাম হবে।

মূলত এই ধারাতেই গুগল থেকে একটা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ইনকাম হয়।তবে এই ইনকাম নিয়ে বিষদ আলোচনা করা যেত।তবে আজকে সে বিষয়ে আর কথা বলবো না।এসব নিয়ে আলোচনা হবে পরবর্তী পোষ্টে।

এফিলিয়েট ইনকাম (Affiliate Marketing): ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এফিলিয়েটের মাধ্যমে ইনকাম করা বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।অনেকেই আছেন, যারা গুগল এডসেন্স ছাড়াই এফিলিয়েট মার্কেটিং করে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতে পারছেন।

সাধারনভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে গেলে আপনি কোনো কোম্পানির কোনো প্রোডাক্টকে বিক্রি করে দিবেন।সেই বিক্রিত পন্যের মূল্যের কিছু কমিশন আপনি পাবেন।যেমন ধরুন, আপনি কোনো একটা ই-কমার্স ওয়েবসাইটের একটা ঘড়ি কিংবা একটা ফ্রিজ বিক্রি করলেন । সেই পন্যর মূল্য যদি ১০,০০০/- হয়।তাহলে কোম্পানি আপনাকে বিক্রি করে দেওয়ার কারনে আপনাকে ১০০০/- টাকা দিবে।এটাই হলো এফিলিয়েট ইনকাম।

তো আজকে খুব সাধারনভাবে ব্লগিং নিয়ে আলোচনা করলাম।আশা করি পরবর্তীতে ব্লগিং নিয়ে প্রতিটা ধাপ নিয়ে আলোচনা করবো।আজ এ পর্যন্তই।দেখা হবে পরবর্তী পোষ্টে।সে পর্যন্ত ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। 



New Post Older Post

Thanks For Read the Article