.breadcrumbs{display:none !important;}

Android Operating System অ্যানড্রয়েড কি? অ্যানড্রয়েড এর ইতিহাস

android operating system


বর্তমানে বিশ্বে Android  হচ্ছে সবচাইতে  জনপ্রীয় Mobile Operating System.পুরো পৃথিবীতে প্রায়  ৮০% এরও  বেশি  মানুষ এই অ্যানড্রয়েড এর 

সাথে পরিচিত| আমাদের হাতে যেই SmartPhone হর হামেশাই বাবহার 
করি সেটি Android Operating System ধারা পরিচালিত| কিন্তু আমরা কখনই এই অ্যানড্রয়েড তৈরী হওয়ার পেছনে যেই ইতিহাস আছে সেটা জানার চেষ্টা কখনো করেছি | তাই আজকে এই Android Operating System সম্পর্কে ছোট করে এর ইতিহাস এবং এর বাবহার সম্পর্কে তুলে ধরবো |



Android Version History


এই অ্যানড্রয়েড প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৩ সালের অক্টোবার মাসে কেলিফোর্নিয়ায় | 
এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন পাচ জন বেক্তি  | প্রতিষ্ঠাতা এন্ডি রুবিন ( Danger এর সহ 
প্রতিষ্ঠাতা ), রিচ মাইনর (Incorpoint সহ  প্রতিষ্ঠাতা ), নিক সিয়ারস (টি 
মোবাইলের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ), নিক সিয়ারস (টি মোবাইলের প্রাক্তন ভাইস 
প্রেসিডেন্ট ), ক্রিস হোয়ায়ট ওয়েব টিভির ডিসাইন ও ইন্টারফেস প্রধান )| যেহেতু তারা 
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়জিত ছিলেন তাই তারা এই কাজ টা অনেকটা গোপনে করতেন | 
আর প্রতিষ্ঠানে তারা এটা বলত যে তারা Software এর উপর কাজ করছেন | তাদের 
প্রথম উদ্দেস্য ছিল ডিজিটাল কেমেরার জন্য একটি অপারেটিং তৈরী করা কিন্তু পরে 
তারা বুজতে পারলেন যে এটির বাজারজাত অতটা ভালো না | তাই তারা তাদের সিদ্ধান্ত 
পাল্টে পরে স্মার্ট ফোন অপারেটিং সিস্টেম এর উপর মনোযোগ দেন | তাদের উদ্দেস্য 
ছিল Microsoft Windows Operating System এর সাথে পাল্লা দেয়া | আর তারা এই  
সম্পূর্ণ কাজ টা করত লুকিয়ে | 
Google ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট অ্যানড্রয়েড ইনকর্পোরেটেড কিনে নেয়| কিন্তু 
Android এর  প্রতিষ্ঠাতারা তাদের আগের অবস্থানেই থাকে | মানুষজন 
তখনও Android সম্পর্কে কিছু জানতো না, তবে অনেকেই ধারণা করেছিল 
বাজারে গুগলরের মোবাইল আনতে যাচ্ছে এবং মোবাইল যোগাযোগ বাজারে 
প্রবেশ করতে যাচ্ছে |
(২০০৬) | BBC News ওই সময় একটা প্রতিবেদন প্রকাশ করে যে , Google  
তাদের Search Engein এবং এপ্লিকেশন গুলো মোবাইল ফোন চালাতে চাই এবং এটার 
জন্য তারা কাজ করে যাচ্ছে | অনলাইনএ  এবং বিভিন্ন পত্রিকায় গুজব ছড়াতে 
থাকে যে, গুগল তাদের নিজস্য Brand এর মোবাইল তৈরী করছে | 
২০০৭  সালের ৫এই নভেম্বর ওপেন হ্যান্ডসেট এলায়েন্স সূচনা করে যাতে, এইখানে ছিল ব্রডকম কর্পোরেশন, গুগল ,এইচ টি সি , ইন্টেল , এল জি , মার্ভেল টেকনোলজি গ্রূপ , মটোরোলা , কোয়ালকম , সেম্সাং , এন ভিডিয়া , টি মোবাইল এবং টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্ট | ওপেন হ্যান্ডসেট এলায়েন্স এর উদ্দেশ্য  ছিল সকল ধরনের মোবাইল ফোন এর প্লাটফর্ম তৈরী করা, আর ওই একই দিনে ওপেন হ্যান্ডসেট এলায়েন্স তাদের প্রথম পণ্য বাজারে ছারে  যা লিনাক্স কার্নেল ২.৬.২৫ এর উপর ভিত্তি করে তৈরী |


আর প্রথম বানিজ্যিক ভাবে HTC Dream স্মার্ট ফোন টি ২০০৮ সালের ২২ অক্টোবার ছাড়া হয় | ২০০৮ সালের ৯ই ডিসেম্বর এর ১৪ টি নতুন কোম্পানি মার্কেট এ তাদের প্রোডাক্ট ছারে | সেই কোম্পানি গুলো এআরএম হোল্ডিংস, এথিরস কমিউনিকেশনস, আসুসটেক কম্পিউটার ইনকর্পোরেট, জারমিন লিমিটেড, হাওয়াই টেকনোলজিস, প্যাকেটভিডিও, সফটব্যাংক, সনি এরিকসন, তোসিবা এবং ভোডাফোন গ্রুপ | 
গুগল ২০১০ সালে Google Nuxsux সিরিজের স্মার্ট ফোন ছাড়ে, যেটি অ্যানড্রয়েড চালিত একটি Smart Phone এবং Tablet সিরিজের নাম এবং এটা তৈরী করা হয় যারা কোম্পানির অংশীদারী ছিলেন তাদের মাদ্যমে | 
গুগল Android One বাজারে ছারে ১০১৪ সালে যা একটি আদর্শ স্মার্ট ফোন এর বৈশিষ্ট ধারণ করে | এই ফোন গুলা তৈরী করা হই যারা ডেভেলপার তাদের জন্য অ্যানড্রয়েডের নতুন সংস্করণ অ্যানড্রয়েড ৯.০ পাই ২০১৮ ৬ই আগস্ট মুক্তি দেয়া হয় শুধু মাত্র Pixel যন্ত্রের জন্য | এ বছরের আগস্টে তা সবার জন্যে উন্মুক্ত করেছে গুগল |  ২০১০ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত হুগো বার্বা অ্যানড্রয়েড দলের পক্ষে তাদের পন্যের মুখ পত্র ছিলেন | তিনি অ্যানড্রয়েড প্রতিনিধিত্ব করতেন সংবাদ সম্মেলনে , গুগুলের বার্ষিক ডেভেলপার -কেন্দ্রিক সংবাদসম্মেলনগুলোতে |
তিনি পুরো android এর হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর পুরোটাই প্রতিবেদন করতেন | ২০১৩ সালে বাররা অ্যানড্রয়েড দল ছেড়ে চীনা স্মার্টফোন প্রস্তুতকারণ শাওমিতে যোগ দেন। ২০১৬ অক্টোবরে গুগল পিক্সেল  ও পিক্সেল এক্সএল রিলিজ করে যেগুলোকে বলা হয় গুগল কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্রথম স্মার্টফোন |

Android Operating System Feature


অ্যানড্রয়েড স্মার্ট ফোন গুলোর Interface সরাসরি পরিচালনা করা যায় স্পর্শের মাদ্যমে এছাড়া স্পর্শের মাদ্যমে Swiping,Typing ইত্যাদির মাধ্যমে প্রদর্শিত বিষয়বস্তুকে পরিচালনা করা যায় |  লেখার জন্য Vertual Keybord ব্যবহারকারীর প্রদত্ত ইনপুটের প্রতিক্রিয়া ততক্ষনাত পাওয়া যায় | ব্যবহারকারীকে সহায়তার জন্য কম্পনের মাধ্যমে স্পর্শ বিষয়ে জানানো হয় যাকে হেপাটিক ফিডব্যাক বলে।
অভ্যন্তরীন হার্ডওয়্যারের বিভিন্ন অংশ যেমন অ্যাকসেলেরোমিটার, জাইরোস্কোপ এবং প্রক্সিমিটি সেন্সর বিভিন্ন এপ আনুষঙ্গিক কাজে ব্যবহারকারীর জন্য এগুলো ব্যবহার করে থাকে। যেমন- ডিভাইসটি অনুভূমিক বা উলম্ব থাকলে প্রদর্শনী ঠিক করা, রেস গেম খেলার সময় গাড়ির নিয়ন্ত্রন করা ইত্যাদি।
অ্যানড্রয়েড বুট হওয়ার পর ব্যবহারকারী যেটা দেখে এটাকে Homescreen বলা হয়। অ্যানড্রয়েড এ হোম স্ক্রিন এ একাধিক পৃষ্ঠা থাকে এবং বিভিন্ন Application সফটওয়্যারের আইকন থাকে |  তবে ফোনে থাকে সমস্ত এপ্লিকেশন এখানে পাওয়া যায় না | সমস্ত এপ্লিকেশন পেতে হলে মার্শমেলো  বা প্লে স্টোরে গিয়ে এপ্লিকেশন নিতে হয় | 
এছাড়াও প্রস্তুতকারকরা তাদের ব্যবহারকারীদের ভিন্ন ভিন্ন সাদ দিতে তাদের নিজস্ব ইন্টারফেস ব্যবহার করে। যেমন- শাওমি, হুয়াওয়ের ইএমইউআই, আসুসের জেনইউআই, মেইজুর ফ্লাইমি ইত্যাদি যাদের সাথে গুগলের প্রদত্ত অ্যানড্রয়েডের মিল নেই বললেই চলে। এদের অনেকেরই বিরুদ্ধে এপলের আইওএসকে নকলের প্রবনতা দেখা যায় |

android operating system for Mobile


অ্যানড্রয়েড একটি Open Source Mobile Operating System যেটা তৈরী করা 
হয়েছে লিনাক্স এর উপর ভিত্তি করে | বর্তমানে গুগল এই অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এর উন্নয়ন কাজে নিয়জিত | তবে গুগল এল এল সি ডেভেলপারদের কাছ থেকে ২০০৫ সালে এই অ্যানড্রয়েড কিনে নেয় | তারপর থেকে গুগল এই অ্যানড্রয়েড এর যাত্রা শুরু করে | আর এটি বর্তমানে সারা বিশ্বে বহুল ব্যবহৃত একটি Smart Phone Operating System.
Android এর ডেভেলপাররা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন Application তৈরী করে থাকে |এখন প্লে স্টোরে প্রায় ৩৬ লক্ষ এর বেশি Application রয়েছে | যেগুলি আমরা 
প্রতিদিনই কোনো না কোনো কাজে বাবহার করি | আর এই এপ্লিকেশন গুলো 
জাভা ধারা তৈরী,যেগুলো জাভা লাইব্রেরি ধারা পরিচালনা করা হয় | এটি 
Delvik Vertual মেশিনে জাভা কর লাইব্রেরিতে চলে | এই android প্রায় ১২ 
মিলিয়ন কোডিং লাইনের সমণ্বয়ে তৈরী করা যাতে ৩ মিলিয়ন এক্সএমএল লাইন,  
২.৮ মিলিয়ন সি প্রোগ্রামিং লাইন, ২.১ মিলিয়ন জাভা লাইন এবং ১.৭৫ মিলিয়ন 
সি++ লাইন ধারা গঠিত |

Android For Mobile Application

অ্যাপ্লিকেশন হলো একটি  স্মার্ট ফোন এর প্রাণ শক্তি | বলা যায় এপ্লিকেশন ছাড়া একটি স্মার্ট ফোন প্রায় অচল | তাই এটার গুরুত্ব কোনো অংশে কম না | অ্যাপ্লিকেশন যা যন্ত্রের ক্ষমতা বাড়ায় | অ্যানড্রয়েড সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিট (এসডিকে) এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে লেখা হয়।
 ২০১৭ মে মাসে গুগল গুগল কোটলিন প্রোগ্রামিং ভাষা Android Application ডেভেলপমেন্টের জন্য ব্যবহার করা যাবে বলে ঘোষণা দেয় | প্রাথমিকভাবে, Google এর সমর্থিত Integroted Develpoment Enveironment ছিলো এক্লিপ্স; কিন্তু ডিসেম্বর ২০১৪ সালে, গুগল অ্যান্ড্রয়েড স্টুডিওটি প্রকাশ করে, যা ইন্টেলি জে আইডিয়া-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল, এবং Android Application ডেভেলপমেন্টের জন্যে Defult ID হিসাবে ব্যবহার শুরু হয় |
অ্যানড্রয়েড ব্যবহারকারী অফিশিয়াল Appstore বা অন্য যেকোন ওয়েবসাইট থেকে APK ডাউনলোড করে তা Install করতে পারে | ২০১৭ সালের এক হিসাবে, গুগল প্লে স্টোরে ৩৫ লক্ষেরও বেশি অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে। এবং ২০১৭ সালের আরেক হিসাবে এপর্যন্ত ৮২০০ কোটিবার Application ডাউনলোড হয়েছে। মে ২০১৭ সালের হিসাবে, জিমেইল, অ্যান্ড্রয়েড, ক্রোম, গুগল প্লে এবং গুগল ম্যাপের মাসে ১০০ কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে | 
অবশেষে আমরা বলতে পারি ভবিষ্যতে এই Android Operating System পুরো পৃথিবী দখল করে নিবে | ব্যবহারকরি যেহেতু তার সুবিধা অনুযায়ী সব কিছুই এই Operating System এ পাচ্ছে , তাহলে সে অন্য কিছু কেন বাবহার করবে | এছাড়া গুগল তাদের প্রোডাক্ট এর উন্নত এবং ভালো করার চেষ্টাই সবসময় সক্রিয়  আছে | 
New Post Older Post

Thanks For Read the Article