.breadcrumbs{display:none !important;}

পাওয়ার ব্যংক কেনার আগে এই তথ্যগুলো অবশ্যই জেনে রাখুন।ভালো পাওয়ার ব্যাংক কেনার উপায়।

 পাওয়ার ব্যংক কেনার আগে এই তথ্যগুলো অবশ্যই জেনে রাখুন।ভালো পাওয়ার ব্যাংক কেনার উপায়।
সিম্ফনি পাওয়ার ব্যাংক
ভালো পাওয়ার ব্যাংক কিভাবে চিনবেন


সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে বর্তমানে প্রযুক্তি  যতোই উন্নত হোক না কেন,বর্তমানে বাজারে আসা ফোন গুলোতে কোম্পানির দেয়া ব্যাটারির ব্যাকআপে গ্রাহকরা এখনও সন্তুষ্ট না।এমনকি এখন পর্যন্ত কোনো ফোন কোম্পানি সেরকম কোনো ব্যাটারি তৈরি করেনি যা ফোনে চার্জকে অনেক সময় পর্যন্ত ব্যাকআপ দিবে।আর সেটার ভোগান্তি শুরু হয় তখন,যখন আমরা কোথাও ভ্রমনে যাই কিংবা এমন অবস্থানে যাই।যেখানে ফোনে চার্জ দেয়ার কোনো প্রকার ব্যবস্থা থাকে না।অবাক করা বিষয় এটাই যে,সেইসব জায়গা গুলোতেই আমাদের ফোন ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা বেশী হয়ে থাকে।
তাই আমাদের এই ভোগান্তিকে কমিয়ে দেয়ার জন্য বর্তমানে বাজারে এসেছে পাওয়ার ব্যাংক।পাওয়ার ব্যাংক মূলত রিচার্জেবল ব্যাটারির সমন্বয়ে তৈরি ।যা আগে থেকেই চার্জিত হয়ে চার্জকে জমিয়ে রাখে।এবং পরর্তীতে সেই জমানো চার্জ দ্বাড়া মোবাইল ফোনকে চার্জ দেয়া যায়।যার ফলে আপনি বিদ্যুৎ নিরবিছিন্ন এলাকাগুলোতে আপনি আপনার ফোনে চার্জ দেয়ার সুবিধাটি নিতে পারবেন।
                                   বর্তমানে বাজারে অনেক কোম্পানির পাওয়ার ব্যাংক এসেছে।এরই মাঝে অনেক নকল কোম্পানিও সুযোগ বুঝে তাদের খারাপ পন্যগুলো বাজারে ছেড়েছে।যা দেখতে হুবহু অন্যান্য পাওয়ার ব্যাংকগুলোর মতোই।যার দরুন আপনি পাওয়ার ব্যাংক কিনতে গেলে আপনাকে যে দ্বিধায় পড়তে হবে।সে বিষয়ে আমি শতভাগ নিশ্চিত।আর সে বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্যই আমার আজকের পোস্ট।আজকের পোষ্টে বিস্তারিত আলোচনা করবো আপনি আপনার ফোনের জন্য কোন পাওয়ার ব্যাংক গুলো কিনবেন আর কোন পাওয়ার ব্যাংকগুলো কিনবেন না।

 ১.পাওয়ার ব্যাংকের চার্জ ধারন ক্ষমতা
পাওয়ার ব্যাংক বানানোর উপায়
পাওয়ার ব্যাংককের চার্জ ধারন ক্ষমতা 
আপনি যদি পাওয়ার ব্যংক কিনতে যান তাহলে এই বিষয়টির উপর বেশী গুরুত্ব দিবেন।আমি আগেই বলেছি পাওয়ার ব্যাংক চার্জ ধারন করে তা জমিয়ে রাখে।সেক্ষেএে যদি পাওয়ার ব্যাংকের চার্জ ধারন ক্ষমতা কম হয় তাহলে আপনি  তেমন একটা সুবিধা নিতে পারবেন না। আপনি যদি উপযুক্ত ব্যাটারি ব্যাকআপ পেতে চান তাহলে ১০ হাজার মেগাহার্টজ ক্যাপাসিটির পাওয়ার ব্যাংক নিতে পারেন। অথবা আপনি যদি এর থেকেও ভালো  ব্যাকআপ পেতে চান তাহলে ২০ হাজার বা তার থেকেও বেশি মেগাহার্টজ নিতে পারেন।তবে আপনি ১০ হাজার মেগাহার্টজে আপনার ফোনকে দিনে দুই থেকে তিনবার চার্জ দিতে পারবেন।এরকম ধারনক্ষমতার মধ্যে পাওয়ার ব্যাংক কিনলে আপনি তা ২০০০/- থেকে ২৫০০/- মধ্যেই পেয়ে যাবেন। তাহলে নিঃসন্দেহে বলা যায় ,আপনি এই বাজেটেও সুন্দর একটা পাওয়ার ব্যাংক পেয়ে যাবেন।

২. পাওয়ার ব্যাংকের জন্য ভালো চার্জার
আপনি আপনার পাওয়ার ব্যাংককে কি পরিমান চার্জ দিবেন আর কি পরিমান চার্জ নিবেন ।সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে আপনার  চার্জারের ক্ষমতার উপর।সাধারন পাওয়ার ব্যাংকগুলো চার্জ হতে ৩-৪ ঘন্টা সময় নিয়ে থাকে।আর অধিকাংশ পাওয়ার ব্যাংকগুলো চার্জ দেয়া হয় ফোনের চার্জার দিয়ে।আর আমরা সবাই জানি আমাদের মোবাইল ফোনের চার্জারগুলো ৫ ভোল্ট আর ২ আ্যম্পিয়ার  অনুপাতে আউটপুট দিয়ে থাকে।আপনি যদি এরকম চার্জার দিয়ে আপনার  পাওয়ার ব্যাংককে চার্জ দিতে চান ,তাহলে আপনার হাতে চার্জ দেয়ার জন্য কমপক্ষে ৩-৪ ঘন্টা সময় নিন।অনেকসময় অনেক পাওয়ার ব্যাংক আপনাকে চার্জারের চেয়ে পাওয়ার ব্যাংক দ্রুত চার্জ হওয়ার কথা বলতে পারে। তবে এ বিষয়টি আপনার মনে রাখা উচিত,আপনার পাওয়ার ব্যাংক ততোদ্রুত চার্জিত হওয়ার দরকার নেই। আর আপনি যদি ভালো ব্রান্ডের কোনো কোম্পানি থেকে পাওয়ার ব্যাংক কিনে থাকেন তাহলে এসব নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে। তাই সবসময় চেষ্টা করবেন ভালো কোনো কোম্পানির পাওয়ার ব্যাংক কেনার।

৩.পাওয়ার ব্যাংকের আকার
আমরা সাধারন পাওয়ার ব্যাংককে বহযোগ্যতা উপর নির্ভর করেই কিনবো।তাই পাওয়ার ব্যাংক কেনার আগে ক্রয়কৃত পাওয়ার ব্যাংকটির উপর যথেস্ট খেয়াল রাখতে হবে। বর্তমানে বাজারে এমন অনেক পাওয়ার ব্যাংক পাবেন যা একেবারে গোলাকার,বা অনেক বড় আকৃতির ।যা আপনার বহন করতে অনেক অসুবিধায় পড়তে হবে। তাই সবসময় চেষ্টা করবেন আপনার মোবাইলের আকৃতির মতো পাওয়ার ব্যাংক কেনার । কারন আপনি এরকম পাওয়ার ব্যাংককে সহজেই আপনার পকেটেও বহন করতে পারবেন।আর পাওয়ার ব্যাংক কেনার সময় যেন ওজন বেশি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।তারপরও আপনি পাওয়ার ব্যাংক কেনার সময় আরও সুবিধার জন্য বিকল্প কোনো কিছু খুজে নেয়ার চেস্টা করবেন।
পাওয়ার ব্যাংক
পাওয়ার ব্যাংককের আকার 

৪.আর বাড়তি সুবিধা
পাওয়ার ব্যাংকের বাড়তি সুবিধার মধ্যে বিশেষ কিছু সুবিধা হলো পাওয়ার ব্যাংককের বাড়তি আউটপুট পোর্ট,টর্চ,ইন্ডিকেটর ইত্যাদি।চার্জ ইন্ডিকেটরের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন যে আপনার পাওয়ার ব্যাংকটিতে কি পরিমান চার্জ হলো বা ফুল চার্জ হতে আরও কত পার্সেন্ট বাকি আছে। আর যদি বাড়তি আউটপুটের সুবিধা থাকে তাহলে আপনি একসাথে অনেকগুলো ডিভাইজকে একসাথে চার্জিত করতে পারবেন। আর টর্চ যদি আপনার প্রয়োজন হয় তাহলে নিতে পারেন। তাহলে আপনি মোবাইলের মতো পাওয়ার ব্যাংকেও টর্চ ব্যাবহারের সুবিধা নিতে পারবেন।পাশাপাশি আপনি সোলার চার্জিং সিস্টেমেও চার্জ দিতে পারবেন।তবে সোলারে চার্জ দিতে গেলে আপনাকে অনেক সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।

সাধারনভাবে পাওয়ার ব্যাংক কেনার ক্ষেএে এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখলেই হবে।যদি আপনি এর চাইতে আলাদা কিছু সুবিধা পেতে চান তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন।
                     বাংলাদেশের বেশ কিছু ভালো পাওয়ার ব্যাংক কোম্পানিগুলো হলো শাওমি,রিম্যাক্স,এডাটা।আশা করি আমাদের পোষ্টটি আপনার ভালো লেগেছে।আমাদের কাছে কিছু জানতে বা জানাতে চাইলে মেইল করতে পারেন।আমরা চেষ্টা করবো দ্রুততার সাথে আপনাকে ফিডব্যাক দেয়ার । 

New Post Older Post

Thanks For Read the Article